WhatsApp খুলে ⋮ > Settings > Privacy > App lock-এ যান, তারপর Unlock with biometric চালু করুন। এরপর WhatsApp খুলবে শুধু আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস দিয়ে, আর সেগুলো কাজ না করলে ফোনের PIN দিয়ে। আলাদা কোনো চ্যাট লুকাতে চ্যাটটি চেপে ধরে Lock chat বেছে নিন। WhatsApp-এর নিজস্ব কোনো PIN নেই, তাই আলাদা PIN বা প্যাটার্নের জন্য একটি অ্যাপ লক লাগবে।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে পুরো অ্যাপ লক করুন
WhatsApp-এর নিজস্ব App lock প্রতিবার WhatsApp খোলার সময় আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস চায়। এটি ফোনের সেটিংসে আগে থেকে সেট করা বায়োমেট্রিকই ব্যবহার করে, তাই সেগুলো সেট করা না থাকলে আগে সেটা করে নিন।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস চেনা না গেলে ফোনের PIN দিয়েই WhatsApp খুলে যায়, আর লক থাকা অবস্থাতেও কল এলে রিং হয়। WhatsApp বলছে, এই লকের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর আর Android 6.0 বা তার পরের সংস্করণ লাগে, আর এটি Galaxy S5, Note 4 ও Note 8-এ কাজ করে না।
- 01WhatsApp খুলে ⋮ > Settings > Privacy > App lock-এ ট্যাপ করুন।
- 02Unlock with biometric চালু করুন, তারপর ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস দিয়ে নিশ্চিত করুন।
- 03WhatsApp কতক্ষণ পর আবার আনলক করতে বলবে, তা বেছে নিন।
- 04নতুন মেসেজের নোটিফিকেশনে লেখা দেখাবে কি না, তা Show content in notifications থেকে ঠিক করুন।
অথবা শুধু নির্দিষ্ট চ্যাটগুলো লক করুন
Chat Lock আপনার বেছে নেওয়া চ্যাটগুলো, গ্রুপসহ, Locked chats নামের একটি ফোল্ডারে সরিয়ে রাখে, যা খোলে আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস বা একটি সিক্রেট কোড দিয়ে। এসব চ্যাটের নোটিফিকেশনে শুধু “1 new message” লেখা থাকে, তাই কে লিখেছে বা কী লিখেছে, কেউ দেখতে পায় না।
সিক্রেট কোড ভুলে গেলে লক করা চ্যাটগুলো মুছে যায়, তাই এমন একটি কোড বেছে নিন যা আপনার মনে থাকবে।
- 01চ্যাট লিস্টে চ্যাটটির ওপর চেপে ধরে রাখুন।
- 02⋮ > Lock chat-এ ট্যাপ করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস দিয়ে নিশ্চিত করুন।
- 03ফোল্ডারটিও লুকাতে চাইলে Locked chats খুলে ⋮ > Chat lock settings-এ ট্যাপ করুন আর একটি সিক্রেট কোড সেট করুন।
টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন কোনো লক নয়
অনেক গাইডে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশনকে “WhatsApp-এর পাসওয়ার্ড” বলা হয়। আসলে এটি একটি বাড়তি PIN বা পাসওয়ার্ড, যা WhatsApp চায় যখন আপনার নম্বর কোনো ফোনে রেজিস্টার করা হয় — যাতে চুরি যাওয়া সিম বা SMS-এ আসা কোড দিয়েই কেউ আপনার অ্যাকাউন্ট দখল করতে না পারে।
কিন্তু আপনার আনলক করা ফোন যে হাতে তুলে নেয়, তার কাছে এটি কিছুই চায় না। তবুও Settings > Account > Two-step verification থেকে এটি চালু করে রাখুন, আর হাতের ফোনটির জন্য ব্যবহার করুন App lock বা Chat Lock।
টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন সুরক্ষা দেয় আপনার অ্যাকাউন্টকে। App lock সুরক্ষা দেয় আপনার ফোনে থাকা অ্যাপটিকে।
শুধু WhatsApp-এর জন্য আলাদা PIN বা প্যাটার্ন চাইলে
WhatsApp-এর লক বিকল্প হিসেবে আপনার ফোনের PIN-ও মেনে নেয়, তাই যে সেই PIN জানে — যেমন সঙ্গী বা সন্তান, যারা রোজ আপনার ফোন আনলক করে — সে WhatsApp-ও খুলতে পারে। আলাদা PIN বা প্যাটার্নের জন্য লাগে একটি অ্যাপ লক। Xiaomi, OnePlus, Oppo, Realme আর Vivo ফোনের সেটিংসেই এমন একটি আছে; অন্য ফোনে, অথবা সব ব্র্যান্ডে একই লক চাইলে, একটি অ্যাপ ব্যবহার করুন।
AppLock Master WhatsApp আর আপনার বেছে নেওয়া যেকোনো অ্যাপে — গ্যালারি আর Instagram-ও — একটি PIN, প্যাটার্ন বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট বসিয়ে দেয়। বারবার ভুল চেষ্টা হলে এটি সামনের ক্যামেরা দিয়ে একটি ছবি তোলে, আর লক স্ক্রিন থেকে মেসেজের প্রিভিউ লুকিয়ে রাখতে পারে। এটি বিনামূল্যে, বিজ্ঞাপনসহ।
- 01AppLock Master ইনস্টল করে এটি যে দুটি পারমিশন চায় তা দিন: ইউসেজ অ্যাক্সেস, যাতে এটি বুঝতে পারে কোন অ্যাপ খুলছে, আর অন্য অ্যাপের ওপরে দেখানো, যাতে এটি লক স্ক্রিন দেখাতে পারে।
- 02অ্যাপের তালিকায় WhatsApp-এ টিক দিন, আর যা যা লক করতে চান সেগুলোতেও।
- 03PIN, প্যাটার্ন বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট বেছে নিন। ভুলে গেলে একটি নিরাপত্তা প্রশ্ন আপনাকে আবার ভেতরে নিয়ে আসবে।
আরও বিস্তারিত: দেখুন কে আপনার অ্যাপ খোলার চেষ্টা করেছিল →
আপনার জন্য কোন লকটি ঠিক?
শুধু WhatsApp, আর আপনার ফোনের PIN অন্য কেউ জানে না: WhatsApp-এর App lock-ই যথেষ্ট, আর এটি অ্যাপেই বিল্ট-ইন।
কয়েকটি চ্যাট চোখের আড়ালে রাখতে চান: সিক্রেট কোডসহ Chat Lock।
অন্য কেউ আপনার ফোনের PIN জানে, অথবা WhatsApp, গ্যালারি আর অন্য অ্যাপে একটিই লক চান: AppLock Master-এর মতো একটি অ্যাপ লক।